বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২-১ গোলে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে আবারও শিরোপার স্বপ্ন ভেঙেছে ইংল্যান্ডের। এই হতাশার পর ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইনের ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে তাকে জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে আগ্রহ ফুটবলপ্রেমীদের।
২০১৮ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনালে তুলেছিলেন কেইন। সেই আসরে ছয় গোল করে জিতেছিলেন গোল্ডেন বুটও। এরপর ২০২২ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের যাত্রা শেষ হয় কোয়ার্টার-ফাইনালে এবং ২০২৬ বিশ্বকাপে দল আবারও থামে শেষ চারে।
ক্লাব ফুটবলে দীর্ঘ সময় টটেনহ্যামের হয়ে খেললেও বড় কোনো শিরোপা জিততে পারেননি এই স্ট্রাইকার। পরে বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম বড় ট্রফির স্বাদ পান। তবে জাতীয় দলের হয়ে এখনো বড় কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা অধরাই রয়ে গেছে তার।
ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপেও একই হতাশার মুখোমুখি হয়েছেন কেইন। ২০২০ ও ২০২৪—টানা দুই ইউরোর ফাইনালে উঠেও ইতালি ও স্পেনের কাছে হেরে রানার্সআপ হয় ইংল্যান্ড।
২০৩০ বিশ্বকাপের সময় কেইনের বয়স হবে ৩৬ বছর। তাই ওই আসরে খেলার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এখনই এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আসেনি। তার ভাষায়, তখনকার ফিটনেস, পারফরম্যান্স এবং শারীরিক অবস্থার ওপরই সবকিছু নির্ভর করবে।
বয়সকে বড় বাধা হিসেবে দেখছেন না কেইন। উদাহরণ হিসেবে তিনি লিওনেল মেসির কথা উল্লেখ করে বলেন, বেশি বয়সেও সর্বোচ্চ পর্যায়ে ভালো ফুটবল খেলা সম্ভব। তাই নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও তিনি এখনই কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করতে চান না।
সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হারের হতাশাও প্রকাশ করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। তার মতে, ম্যাচের বেশির ভাগ সময় দল ভালো খেললেও শেষ দিকে ছন্দ হারিয়ে ফেলে। এক গোলে এগিয়ে থেকেও সেই সুবিধা ধরে রাখতে না পারায় শেষ পর্যন্ত পরাজয় মেনে নিতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে।